সবার জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট

নিজস্ব প্রতিবেদক, পার্ল আইটি ডটনেট:
সবার জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিতের লক্ষ্যে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (আইএসপি) প্যারেন্টাল গাইড বাধ্যতামূলক করে দেয়া হচ্ছে। এতে খুব সহজে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট লাইনে কী চলবে তা ঠিক করতে পারবেন অভিভাবকরা। সাধারণত ব্রডব্যান্ড সংযোগে রাউটার দিয়ে ওয়েবসাইট ব্লক করা গেলেও ওই পদ্ধতিকে ঝামেলা মনে করায় অধিকাংশ অভিভাবক তা করেন না।

ইতিমধ্যে এই নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইএসপিদের নির্দেশনা দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। ডাক টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ইন্টারনেট যেমন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তেমনি এখানে সুরক্ষা পাওয়াও অধিকার। অভিভাবকরা সহজেই পরিবারের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে পারবেন।

ব্রডব্যান্ড লাইনে অভিভাবকরা যে কোনো ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট ব্লক করতে পারবেন। ‘নতুন যারা আইএসপির লাইসেন্স নিচ্ছেন তাদের লাইসেন্সের সঙ্গেই এটি বলে দেয়া হচ্ছে। আর পুরোনো আইএসপিদের ক্ষেত্রে চিঠি দিয়ে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে’ বলছিলেন মন্ত্রী।

আইএসপিএবি সভাপতি এবং আম্বার আইটির সিইও আমিনুল হাকিম বলেন, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার দু’ভাবেই ব্রডব্যান্ডে লাইনে এই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তিনি বলেন, হার্ডওয়্যারের ক্ষেত্রে অভিভাবকরা নিজেরাই পারেন।

এখানে একটু উচ্চ প্রযুক্তির রাউটার দিয়ে তা করা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে এর প্রয়োগ একদমই কম। সচেতনতার অভাব, একটু বেশি খরচ, কীভাবে করতে হবে তা না জানা ইত্যাদি কারণে অভিভাবকরা তা করেন না। এর জন্য আসলে সরকারের কোনো নির্দেশনারও দরকার নেই।

‘কিন্তু সফটওয়্যারের মাধ্যমে যেটা তা আইএসপিরা নিজেরা করবে। এখানে অভিভাবকদের একটি ইউজার নেইম ও পাসওয়ার্ড দেয়া হবে যার মাধ্যমে তারা কী দেখতে চান আর চান না তা ঠিক সহজেই ঠিক করতে পারবেন’ বলছিলেন আইএসপিএবি সভাপতি।

দেশে সব ধরনের ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট গড়ে তুলতে একটা অভিযান চালাচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে দেশে ২০ হাজারের বেশি পর্নো ও জুয়ার সাইট বন্ধ করেছে।

এছাড়াও ভিডিও শেয়ারিং মাধ্যম ইউটিউব এবং সামাজিক মাধ্যমগুলো থেকে ‘সফট পর্নো’ সরাতে কাজ করে যাচ্ছে সরকারের কয়েকটি সংস্থা।

Read More
Shahadat Hossen August 26, 2019 0 Comments

ডেটা ফাঁস : ঝুঁকি জেনেও ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সতর্ক করেনি

পার্ল আইটি ডটনেট ডেস্ক:
ডেটা ফাঁসের ঘটনা নিয়ে এবার যুক্তরাষ্ট্রে ক্লাস অ্যাকশন মামলার মুখোমুখি ফেসবুক। যখন কোনো অপরাধের অসংখ্য ভুক্তভোগী থাকে আর সবার পক্ষ থেকেই মামলা করা হয় এবং রায়ও কেবল বাদী নয়, সব ভুক্তভোগীর জন্যই দেয়া হয় তাকে বলা হয় ক্লাস অ্যাকশন মামলা। ক্লাস অ্যাকশন মামলায় বিবাদী পরাজিত হলে সাধারণত বিশাল অঙ্কের জরিমানা গুনতে হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি জানা সত্ত্বেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক মাধ্যমটি তার গ্রাহকদের সতর্ক করেনি।

ডেটা ফাঁসের ওই ঘটনায় প্রায় তিন কোটি গ্রাহকের লগইন তথ্য বেহাত হয়। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে স্যানফ্রান্সিসকোয় ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য নর্দার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়, ফেসবুক দীর্ঘদিন ধরেই এ নিরাপত্তা ঝুঁকি সম্পর্কে জানত, এমনকি প্রতিষ্ঠানটি তার নিজ কর্মীদের এ বিষয়ে সতর্কও করেছে অথচ গ্রাহকদের এ বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি।

উল্লেখিত ঝুঁকির মূলে ছিল ফেসবুকের ‘সিঙ্গল সাইন-অন’ নামে পরিচিত তৃতীয় পক্ষীয় টুল।

এ ধরনের টুলের মাধ্যমে গ্রাহকরা ফেসকুকের ইউজার নেইম ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে তৃতীয় পক্ষীয় অ্যাপ বা অনলাইন সেবায় লগইন করতে সক্ষম হন।

এমনকি ফেসবুকে লগড ইন অবস্থায় থাকলে তৃতীয় পক্ষীয় সাইটগুলোয় নতুন করে ইউজার নেইম ও পাসওয়ার্ড দেয়ারও দরকার পড়ে না।

‘লগইন উইথ ফেসবুক’ বাটনে ক্লিক করে সহজেই ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবা ব্যবহার করা যায়। এ সেবার নিরাপত্তা ত্রুটি ব্যবহার করেই প্রায় দুই কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের লগইন তথ্য বেহাতের খবর প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘ফেসবুক বছরের পর বছর ধরে এ ত্রুটি সম্পর্কে জানত অথচ তারা গ্রাহককে এ বিষয়ে সতর্ক করেনি।’ ‘আরও গুরুতর বিষয় হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের কর্মীদের ঠিকই এ ত্রুটি থেকে রক্ষা করার উদ্যোগ নিয়েছে।’ ফেসবুক এ মামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

ডেটা ফাঁসের মামলায় জানুয়ারি মাসে বিচারপতি উইলিয়াম অ্যালসাপ বলেন, ডেটা ফাঁসের ব্যাপ্তি খুঁজে বের করার স্বার্থে তিনি প্রয়োজনে ‘হাড় ভাঙ্গা তদন্ত’ অনুমোদন করতে ইচ্ছুক।

ওই ঘটনা সম্পর্কে ফেসবুক এখন পর্যন্ত সামান্যই তথ্য দিয়েছে। দেখা গেছে, এতে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ গ্রাহকের জন্মতারিখ, কর্মস্থলের তথ্য, শিক্ষাগত তথ্য, ধর্ম এমনকি গ্রাহক কোন ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করেন সেসব তথ্য হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

আরও দেড় কোটি গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা বেহাত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় চার লাখ গ্রাহকের বন্ধু তালিকা, পোস্ট এবং তাদের পছন্দের গ্রুপ সম্পর্কেও তথ্য ফাঁস হয়েছে।

Read More
Shahadat Hossen August 26, 2019 0 Comments

এবার ফেসবুকে যুক্ত হলো চাকমা ভাষা

পার্ল আইটি ডটনেট ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এবার বাংলাদেশি ভাষা হিসেবে বাংলার পাশাপাশি চাকমা ভাষা যুক্ত করা হলো।

বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ মিলিয়ে অন্তত ১০ থেকে ১৫ লাখ চাকমা ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে।

ফেসবুকে চাকমা যোগ হওয়ায় এখন থেকে চাকমা ভাষায় পোস্ট, মন্তব্য করা যাবে।

এ ক্ষেত্রে ফেসবুক সেটিংসে চাকমা ভাষা সেট করে নিতে হবে। সেটিংস অপশনে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড রিজিয়ন’ অপশনে এটি পাওয়া যাবে।

Read More
Shahadat Hossen August 26, 2019 0 Comments

মোবাইল অ্যাপে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ ‘এসিপিএস’

পার্ল আইটি ডটনেট ডেস্ক:
ঢাকা জেলার ভূমি অধিগ্রহণ বিভাগের জন্য একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ক্ষতিপূরণ প্রদানের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গত জানুয়ারি থেকে ‘অটোমেটিক কমপেনসেশন পেমেন্ট সিস্টেম’ বা এসিপিএস নামের এই অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকদের কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ বলেন, ‘আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ও যে কোনো স্থানে বসে আবেদনের সর্বশেষ তথ্য জানার জন্য এই প্রক্রিয়া চালু করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় কবে আবেদন করা হয়েছে, কার কাছে কতো দিন আবেদন রয়েছে তা যে কোনো স্থান থেকে দেখা যায়। এই পদ্ধতিতে গ্রাহকদের কোনো ধরনের ভোগান্তি নেই এবং অতিরিক্ত অর্থ খরচের প্রয়োজন নেই।’

এসিপিএস পদ্ধতিতে আবেদনের জন্য মোবাইলে গুগল প্লে স্টোরে ‘ল্যান্ড অ্যাকুজিশন ঢাকা’ (land acquisition dhaka) লিখে সার্চ দিয়ে ‘এসিপিএস’ অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। এ ছাড়া সরাসরি ওয়েবে এই ঠিকানায় ঢুকে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করা যাবে।

Read More
Shahadat Hossen August 26, 2019 0 Comments

ছবিকে প্রাণবন্ত ও ঝকঝকে করার যত অ্যাপ

পার্ল আইটি ডটনেট ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই নতুন যুগে, সব শ্রেণি, পেশা ও বয়সের মানুষের মধ্যে ছবি তোলা ও অনলাইনে প্রকাশের প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে।

তাই স্মার্টফোনে কয়েকটি অ্যাপ থাকলেই আপনার এই ছবিটি হতে পারে আরও সুন্দর।

পিক্স আর্ট স্টুডিও : অন্যতম সেরা একটি ফটো এডিটর অ্যাপ হল পিক্স আর্ট স্টুডিও। একটি ছবিকে সুন্দরভাবে কাস্টমাইজ করতে যেসব টুলস ও ফিচার থাকা প্রয়োজন তার সবই এতে রয়েছে। প্লে স্টোরে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে অ্যাপটি।

পিক্স আর্ট স্টুডিওতে রয়েছে তিন হাজারেরও বেশি টুলস। অন্যান্য ফিচার হিসেবে রয়েছে ওয়ান টাচ ইফেক্ট, অটো ফিক্সিং, ক্রপ, কোলাজ, ড্র, ফ্রেম, স্টিকার ইত্যাদি। এ ছাড়াও ছবির বিশেষ অংশে ইফেক্ট প্রয়োগ করার জন্য রয়েছে ব্রাশ মোড। রয়েছে এআই ইফেক্ট যার সাহায্যে ছবিকে আরও প্রাণবন্ত করা সম্ভব। লাইভ ইফেক্টের সঙ্গে বিল্ট-ইন ক্যামেরা সমর্থিত। অ্যাপটি https://play.google.com/store/apps/details?id=com.picsart.studio) থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রিজমা : ছবিকে নতুনত্ব দেয়ার জন্য সব থেকে ভালো অ্যাপ এটি। যার সাহায্যে আপনার ছবিকে পেইন্টিং, স্কেচের মতো ইফেক্ট দেয়া যায়। এই অ্যাপে অনেক ফিল্টার রয়েছে। প্রিজমা অ্যাপ আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড দুই অপারেটিং সিস্টেমেই পাওয়া যায়।

স্ন্যাপসিড : স্ন্যাপসিড গুগলের তৈরি একটি অসাধারণ ফটো এডিটর অ্যাপ। প্লে স্টোরে অ্যাপটিও ১০০ মিলিয়ন প্লাস ডাউনলোড হয়েছে।

স্ন্যাপসিডের ২৯টি টুলস ব্যবহার করে ছবিকে আরও বেশি প্রাণবন্ত এবং আকর্ষণীয় করা যায়। স্ন্যাপসিডে রয়েছে খুবই সুন্দর একটি ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস। ফটো ক্রপিং, ফটো ফ্লিপিং, ফটো রোটেটিং, ফটো হিলিংসহ প্রয়োজনীয় সব ফিচারই স্ন্যাপসিডে আছে। গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে এবং অ্যাপটির অ্যাড-ফ্রি ইউজার ইন্টারফেস থাকায় আপনাকে বিরক্তিকর অ্যাডের সম্মুখীন হতে হবে না।

এ ছাড়াও অ্যাপটিতে RAW ফর্মেট সমর্থন করে। থাকছে নেটিভ ডার্ক থিম মোড। ছবির বিশেষ অংশে ইফেক্ট প্রয়োগ করার জন্য রয়েছে ব্রাশ মোড।

রেট্রিকা : এই অ্যাপেও ব্যবহারকারীরা ছবিতে অনেক ধরনের ইফেক্ট দিতে পারবেন। এই অ্যাপের সাহায্যে আপনি সরাসরি ছবি তুলতেও পারবেন। অ্যাপের ফিচারের সাহায্যে আপনি ছবিকে আরও ভালো এডিট করতে পাবেন।

ক্যান্ডি ক্যামেরা : এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি ছবিতে ১০০ ইফেক্ট আর ফিল্টার লাগাতে পারবেন। এর ফিল্টারের মধ্যে বিউটিফিকেশনের মতো ইফেক্টও রয়েছে। ফলে আপনার সেলফি আরও ক্লিয়ার আর সুন্দর হয়ে উঠবে।

টেলিপোর্ট ফটো : এই অ্যাপের সব থেকে বিশেষ ফিচার হচ্ছে এর সাহায্যে আপনি নিজের ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডও পরিবর্তন করতে পারবেন। এই অ্যাপ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে থাকে। ফলে আপনি ছবির রংও পরিবর্তন করতে পারবেন।

টুলওয়িজ ফটোস : মোবাইলে ফটো এডিট করার জন্য একের ভেতর সব ফটো এডিটিং অ্যাপ বলা চলে টুলওয়িজ ফটোস এ অ্যাপটিকে।

টুলওয়িজ ফটোসে পাওয়া যাবে ২০০+ ফটো এডিটিং টুলস যেগুলোর সাহায্যে একটি ফটোকে খুব সহজেই মনের মতো করে ফুটিয়ে তোলা যাবে। সহজ ইউজার ইন্টারফেস থাকায় টুলওয়িজ ফটোস ব্যবহার করাও তুলনামূলকভাবে সহজ। এডিটরের সাহায্যে ফটোতে নানা ধরনের ফিল্টার দেয়া যায়, ‘Saturation’ অ্যাডজাস্ট করতে পারবে এবং ফটো ‘collage’ তৈরি করা যায় সহজেই। এ ছাড়াও অ্যাপটিতে রয়েছে চমৎকার স্কিন পলিশিং টুলস। ছবিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে রয়েছে দারুণ সব ফিল্টার।

ইউক্যাম পারফেক্ট : ইউক্যাম পারফেক্ট অ্যান্ড্রয়েডে সহজে ব্যবহারযোগ্য একটি ফটো এডিটিং অ্যাপ। এর সাহায্যে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ফটোকে ইন্সট্যান্টলি এডিট করা যায়। ইউক্যাম পারফেক্টকে বেস্ট সেলফি এডিটরও বলা হয়ে থাকে। অ্যাপটিতে থাকা বিল্ট-ইন ক্যামেরা ফিচারের সাহায্যে সেলফি তোলার পাশাপাশি ভিডিও সেলফিও তোলা যাবে। এটি খুবই জনপ্রিয় একটি ফটো এডিটিং অ্যাপ।

গুগল প্লে স্টোরে ইউক্যাম পারফেক্টের ১০০ মিলিয়ন প্লাস ডাউনলোড রয়েছে। এই অ্যাপে গ্রুপ সেলফি তোলার ক্ষেত্রে রয়েছে মাল্টিপল ফেস ডিটেকশন ফিচার। ফটো থেকে অবাঞ্ছিত বস্তু অপসারণের জন্য রয়েছে কাটআউট এবং রিমুভাল টুল। ইনস্ট্যান্ট ‘বিউটিফাইয়িং’ সমর্থিত।

Read More
Shahadat Hossen August 26, 2019 0 Comments

অবিক্রীত পণ্য দাতব্য সংস্থায় দান করবে অ্যামাজন

পার্ল আইটি ডটনেট ডেস্ক:
অবিক্রীত পণ্য দাতব্য সংস্থায় দান করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন।

কোনো বিক্রেতা যখনই তাদের অবিক্রিত পণ্য নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেবেন তখনই তাদের এসব পণ্য দানের তালিকায় তোলা হবে। বিক্রেতা চাইলে এই প্রকল্প থেকে বেরও হয়ে আসতে পারবেন।

বুধবার বিকালেই এক ব্লগ পোস্টে এই প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে অ্যামাজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুড৩৬০ এবং যুক্তরাজ্যের নিউলাইফ এবং বার্নার্ডোর মতো অলাভজনক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পণ্য দান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অ্যামাজনের গুদামে যেসব পণ্য অবিক্রীত রয়েছে এবং নষ্ট করাটা জরুরি সেগুলো এই প্রকল্পের মাধ্যমে দান করা হবে। এতে গুদামে খালি জায়গাও বাড়বে। ফলে উচ্ছিষ্ট পণ্যগুলো কোনো কাজ আসবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Read More
Shahadat Hossen August 26, 2019 0 Comments

ফেসবুক পোস্ট শেয়ার হবে হোয়াটসঅ্যাপে

পার্ল আইটি ডটনেট ডেস্ক:
মার্ক জুকারবার্গ গত বছরই ঘোষণা করেছিলেন, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার এবং ইনস্টাগ্রাম সব একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হবে।

হোয়াটসঅ্যাপের বন্ধুদের যাতে আপনি সহজেই ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করতে পারেন সেই কারণেই এ নতুন ফিচার উদ্ভাবন করে ফেসবুক।

ফেসবুকের কোনো পোস্ট হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করতে হলে ফেসবুক পেজের ‘পাবলিক’ প্রাইভেসি সেটিং অন করতে হবে।

Read More
Shahadat Hossen August 26, 2019 0 Comments

গুগল-ফেসবুকে দেশের অপারেটরদের বিজ্ঞাপন ব্যয় কত

পার্ল আইটি ডটনেট ডেস্ক:
দেশের তিনটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি (গ্রামীনফোন, বাংলালিংক ও রবি) গত ৫ বছরে গুগল ও ফেসবুককে ৮ হাজার ৭৪৪ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে বলে হাইকোর্টকে জানিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

ওই তিন কোম্পানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া বিজ্ঞাপন ব্যয়ের হিসেবে টাকায় উল্লেখ করলেও সেটিকে ডলার হিসেবে হাইকোর্টে উপস্থাপন করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হিসেবের এই গরমিল করে সম্প্রতি হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে। যেটি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আদালতে বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের উপ পরিচালক প্রকৌশলী মো. নাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৫ বছরে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক এবং রবি গুগল ও ফেসবুককে ১০৪ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৫শ ৯৬ মার্কিন ডলার (৮ হাজার ৭শ ৪৪ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা) দিয়েছে।

এরমধ্যে গ্রামীণ ফোন দিয়েছে ৪৩ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার ৬শ ২৯ ডলার, বাংলালিংক দিয়েছে ২৮ কোটি ৬৪ লাখ ৬৯ হাজার ৯শ ৬৭ ডলার এবং রবি দিয়েছে ৩২ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

তবে বিটিআরসির কাছে জমা দেওয়া কাগজপত্রে এই তিনটি মোবাইল অপারেটর বিজ্ঞাপনখাতে সম্মিলিতভাবে ব্যয় দেখিয়েছে ৪৩৫ কোটি টাকা।

বিটিআরসিকে দেওয়া প্রতিবেদনে রবি দেখিয়েছে, ডিজিটাল প্রচারণায় তারা ব্যয় করেছে ৩২১.৩৮ মিলিয়ন টাকা, হাইকোর্টে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে যাকে ৩২১.৩৮ মিলিয়ন ডলার হিসেবে দেখিয়েছে বিটিআরসি।

রবির একজন শীর্ষ নির্বাহী জানান, তারা সবসময় স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করেন এবং টাকায় অর্থ প্রদান করেন। বিটিআরসিকে তারা কোনো ডলারের পরিসংখ্যান দেননি।

বাংলালিংকের ব্যয়ের হিসাব মেলাতে গিয়েও একই ধরনের ভুল করেছে বিটিআরসি। সংস্থাটি দেখিয়েছে যে, ডিজিটাল প্রচারণায় বাংলালিংক ব্যয় করেছে ‘২৮.৬৪ কোটি’, সংখ্যাটি টাকা না ডলারে হবে বাংলালিংক তা উল্লেখ করতে ব্যর্থ হলেও বিটিআরসি এটিকে ডলার হিসেবে ধরে নিয়েছে।

তবে, সংখ্যাটি টাকায় হবে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে বাংলালিংক।

২০১১ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন বাবদ গ্রামীণফোন ৪৩৩ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি। যদিও গ্রামীণফোনের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে যে, তারা ব্যয় করেছে ৪.৫৮ মিলিয়ন ডলার এবং ৩৩৬ কোটি টাকা।
যেহেতু গ্রামীণফোন স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সঙ্গে সরাসরি লেনদেনে ডলারে অর্থ প্রদান করে। কিন্তু, এই বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি গ্রামীণফোন।

এমনকি বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক এই ইস্যুতে কোনো মন্তব্য না করে তাদের আইনজীবী আলমগীর পারভেজ ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

ফোনে আলমগীর পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, একটি ভুল হয়ে গেছে। বিষয়টি সংশোধনের ব্যাপারে আমরা আদালতের কাছে আবেদন করবো।

উল্লেখ্য, গত বছর আদালতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক-গুগল-ইউটিউব-ইয়াহু বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে থেকে কত টাকা আয় করে এবং সেখান থেকে সরকার ভ্যাট, ট্যাক্স হিসেবে কতোটা বঞ্চিত হয়, তার ওপর একটি রিট করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

Read More
Shahadat Hossen August 26, 2019 0 Comments