মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সক্রিয় গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সক্রিয় গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে
Pearl IT
June 8, 2021
05:01 PM

নিউজ ডেস্ক:
গত এপ্রিল মাসে মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) গ্রাহক সংখ্যা কমেছে। তবে সক্রিয় গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে। এপ্রিল শেষে এমএফএস সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজারে। এ সময় মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৬১ হাজার ৭৮০। বাংলাদেশ ব্যাংকের মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, মার্চের তুলনায় এপ্রিলে লেনদেন বেড়েছে। এমএফএসে এপ্রিল মাসে লেনদেন হয়েছে ৬৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। গড়ে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ১১৬ কোটি টাকা। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব হিসাবে ডাক বিভাগের মোবাইলে আর্থিক সেবা ‘নগদ’ এর তথ্য নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ১৫টি প্রতিষ্ঠান এমএফএস সেবা দিচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস শেষে এসব প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা ৯ কোটি ৬৪ লাখ ৭৬ হাজার দাঁড়িয়েছে। মার্চে যা ছিল ১০ কোটি ২৭ লাখ ৯৬ হাজার। এ হিসেবে এক মাসের ব্যবধানে এমএফএস সেবায় নিবন্ধিত গ্রাহক কমেছে ৬৩ লাখ ২০ হাজার।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিওরক্যাশের সেবা বন্ধ হওয়ার কারণে কয়েকটি ব্যাংকের গ্রাহক কমেছে। এ ছাড়া ইউক্যাশ বন্ধ করে নতুন সেবা ‘উপায়’ চালু করেছে। ইউক্যাশের গ্রাহক উপায়ে স্থানান্তর করা হয়েছে ওই তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। এসব কারণে নিবন্ধিত গ্রাহক কমেছে। প্রসঙ্গত, এমএফএসের নিয়ম অনুযায়ী, টানা তিন মাস একবারও লেনদেন করেনি এমন হিসাবকে নিষ্ক্রিয় হিসাব বলে গণ্য করা হয়। জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে শুধু লেনদেন নয়, যুক্ত হচ্ছে অনেক নতুন নতুন সেবাও। যেমন, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিল অর্থাৎ সেবা মূল্য পরিশোধ, কেনাকাটার বিল পরিশোধ, বেতন-ভাতা প্রদান, বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো অর্থাৎ রেমিট্যান্স প্রেরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া ব্যাংক থেকে মোবাইলে ও মোবাইল থেকে ব্যাংকেও লেনদেন করার সুবিধা পাচ্ছেন গ্রাহক। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে এমএফএসে রেমিট্যান্স সংগ্রহ প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১২ কোটি টাকা। ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি হিসাবে অর্থ স্থানান্তর হয়েছে ১৯ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা বিতরণ হয়েছে ২ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা। সেবার বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৯৬২ কোটি টাকা। গত এপ্রিল মাসে কেনাকাটার বিল পরিশোধ হয়েছে ২ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা।

Loading next post...